পা টিপে টিপে সামনে গিয়ে ডানপ্রান্ত দিয়ে শট নিয়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। কাওইমহিন কেলেহার ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন ফরাসি ফরোয়ার্ডকে, গোলবঞ্চিত হয় রিয়াল মাদ্রিদ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মর্যাদার লড়াইয়ে লিভারপুল তখন ১-০ গোলে এগিয়ে
অ্যানফিল্ডে লিভারপুল এরপর আরও একটি গোল করে। ২০০৯ সালের পর স্প্যানিশ ক্লাবটির বিপক্ষে প্রথম পাওয়া জয়টি ২-০ গোলে, হেরে হেরে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া লিভারপুলের চির কাঙ্খিত জয়। মাঝে ৮ ম্যাচে একটিও জয় ছিল না তাদের, এরমধ্যে ৭টিতেই হার।
এসি মিলানের বিপক্ষেও ভুলে যাওয়ার মতো দিন কাটিয়েছিলেন এমবাপ্পে। একের পর এক শিশুসুলভ মিস করে সমর্থকদের রোষানলে পড়েছেন। মাদ্রিদের ক্লাবটিতে এখন পর্যন্ত বিবর্ণ তিনি। ১৮ ম্যাচে গোল ৯টি, যার ৩টিই পেনাল্টি থেকে। অথচ গত মৌসুমেও পিএসজির ৪৮ ম্যাচে ৪৪ গোল করেছিলেন, অ্যাসিস্ট ছিল ১০টি।
লিভারপুলের বিপক্ষে আর্মব্যান্ড পরেছিলেন লুকা মদরিচ। এই ক্রোয়েশিয়ানও এমবাপ্পের পাশে। তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে অনুশীলনে ভালো করতে দেখেছি, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। কিছু সময় এগুলো কাজ করে, আবার মাঝেমাঝে করে না, বিশেষ করে পেনাল্টির ক্ষেত্রে। তার ওপর আমাদের বিশ্বাস আছে যে, ও ভালো করবে।’
এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসের ঘটনাকে দুর্ভাগ্য বলছেন দলটির সাবেক ফুটবলার গ্যারেথ বেল। তিনি বলেন, ‘এটা দুর্ভাগ্য যে, সময়টা এমবাপ্পের জন্য ভালো যাচ্ছে না। নিজের দিনে ও বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। ফিরে আসা ওর জন্য সময়ের ব্যাপার মাত্র।’

